অনার্স ৪র্থ বর্ষের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য সাজেশন ২০২৪

অনার্স ৪র্থ বর্ষের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য সাজেশন ২০২৪

অনার্স ৪র্থ বর্ষের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য সাজেশন ২০২৪ – অনার্স ৪র্থ বর্ষের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য সাজেশন ২০২৪। পরীক্ষা যতই নিকটে শিক্ষার্থীদের সকল বিষয়গুলো পড়া জরুরি । অনার্স ৪র্থ বর্ষের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য সাজেশন ২০২৪ খুবি প্রয়োজনীয় একটি বিষয় । আমাদের উদ্দেশ্য হল আপানারা যাতে অনার্স ৪র্থ বর্ষে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য ভালো একটি রেজাল্ট করতে পারেন । বিশেষ করে যারা একটু দুর্বল শিক্ষার্থীদের অনার্স ৪র্থ বর্ষের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য সাজেশন ২০২৪ খুবি কাজে আসবে । অনার্স ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য আজকের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য সাজেশন ২০২৪ দেয়া হচ্ছে । আশা করা যায় অনার্স ৪র্থ বর্ষের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য সাজেশন ২০২৪ ঠিক ভাবে অবলম্বন করলে ৬০-৮০% কমন আসবে । তবে এর বেশিও আসতে পারে ।

অনার্স ৪র্থ বর্ষের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য সাজেশন ২০২৪

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য সাজেশন

কোড: ২৪১০১৭

ক বিভাগ

১. সুদীপ্ত শাহিনের মতে— চরিত্রহীনের সম্বল কী?
উত্তর : সুদীপ্ত শাহিনের মতে— চরিত্রহীনের সম্বল তোষামোদ, অর দালালি।
২. সুদীপ্তের মতে কলিযুগের দেবতা কে?
উত্তর : সুদীপ্তের মতে কলিযুগের দেবতা ড. গোবিন্দ চন্দ্র দেব।
৩. রোশেনা বাঙালি হত্যার প্রতিশোধ নিয়েছিল কীভাবে?
উত্তর : রোশেনা শরীরে মাইন জড়িয়ে শত্রুসেনার ট্রাকের নিচে আত্মাহুতি দিয়ে বাঙালি হত্যার প্রতিশোধ নিয়েছিল।
৪. ‘একাত্তরের দিনগুলি’ কত সালে প্রকাশিত হয়?
উত্তর : ‘একাত্তরের দিনগুলি’ ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়।
৫. ওমর ফারুক কোন গল্পের চরিত্র?
উত্তর : ওমর ফারুক আমাকে একটি ফুল দাও পদ্মের চরিত্র।
৬. ‘ভূষণের একদিন’ গল্পটিতে কোন সময়ের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর : ‘ভূষণের একদিন’ গল্পটিতে ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসের কথা বলা হয়েছে।
৭. ভূষণের ছেলের উপর রাগ মিলিয়ে গেল কখন?
উত্তর : হরিদাস যখন গুলি খেয়ে স্থিরভাবে শুয়েছিল এবং চোখে ছিল জীবনের তাপ তখন ভূষণের ছেলের উপর রাগ মিলিয়ে গেল।
৮. কায়েস আহমেদ এর জন্ম সাল কত?
উত্তর : কায়েস আহমেদ এর জন্ম সাল ১৯৪৮।
৯. লেখকের সাথে প্রথম দেখায় জলিল সাহেব কী বলে নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন?
উত্তর : লেখকের সাথে প্রথম দেখায় জলিল সাহেব আমি দুজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার বাবা বলে নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন।
১০. বাংলার স্বাধীনতা আসবে বলে কার কপাল ভেঙেছে?
উত্তর : বাংলার স্বাধীনতা আসবে বলে সাকিনা বিবির কপাল ভেঙেছে।
১১. ‘এখন সকল শব্দই’ কবিতার কবি কে?
উত্তর : ‘এখন সকল শব্দই’ কবিতার কবি হাসান হাফিজুর রহমান।
১২. ‘আমার নিশ্বাসের নাম স্বাধীনতা’- কোন কবিতার চরণ?
উত্তর : ‘আমার নিশ্বাসের নাম স্বাধীনতা’- ‘এটি এখন সকল শব্দই ‘ কবিতার চরণ।
১৩. ‘আর কত রক্তের দরকার হবে’ কবিতায় বারবার উচ্চারিত শব্দটি কী?
উত্তর : ‘আর কত রক্তের দরকার হবে’ কবিতায় বারবার উচ্চারিত শব্দটি হচ্ছে ‘মা’।
১৪. ‘নচিকেতা’ কবিতার কবি কে?
উত্তর : ‘নচিকেতা’ কবিতার কবি আবুল হাসান।
১৫. বাঙালির জন্মতিথি কবে?
উত্তর : বাঙালির জন্মতিথি ষোলোই ডিসেম্বর।
১৬. জোসনারাতে উড়ে যাওয়া হাড়গুলোকে কার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
উত্তর : জোসনারাতে উড়ে যাওয়া হাড়গুলোকে সবুজ কবুতরের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
১৭. টেবিলে ফুলের মতো কার হাত?
উত্তর : টেবিলে ফুলের মতো মাস্তানের হাত।
১৮. পরীবানুর শেষ ইচ্ছে কী?
উত্তর : পরীবানুর শেষ ইচ্ছে মরার আগে অন্তত বর্বরদের একজনকে স্বহস্তে মেরে যাওয়া।
১৯. ডেসমনের বয়স কত?
উত্তর : ডেসমনের বয়স বিরাশি বছর।
২০. আনোয়ার পাশার পেশা কী ছিল?
উত্তর : আনোয়ার পাশা পেশায় অধ্যাপক ছিলেন।
২১. ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ উপন্যাসের রচনাকাল কখন?
উত্তর : ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ উপন্যাসের রচনাকাল ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন মাস।
২২. ‘সুদীপ্ত’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : ‘সুদীপ্ত’ শব্দের অর্থ উত্তম রূপে দীপ্যমান।
২৩. ঢাকায় সান্ধ্য আইন সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয় কবে থেকে?
উত্তর : ঢাকায় সান্ধ্য আইন সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয় ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ থেকে।
২৪. রুমী মুক্তিযুদ্ধে যাওয়ার অনুমতি চাইলে তার মা কী বলেছিলেন?
উত্তর : রুমী মুক্তিযুদ্ধে যাওয়ার অনুমতি চাইলে তার মা বলেছিলেন, ‘দিলাম তোকে দেশের জন্য কোরবানি করে। যা, তুই যুদ্ধে যা।’
২৫. জাহানারা ইমাম তাঁর ‘একাত্তরের দিনগুলি’ দিনলিপিতে কত তারিখে মুজিবনগর সরকারের কথা উল্লেখ করেছেন?
উত্তর : জাহানারা ইমাম তাঁর ‘একাত্তরের দিনগুলি’ দিনলিপিতে ২৪ এপ্রিল ১৯৭১ মুজিবনগর সরকারের কথা উল্লেখ করেছেন।
২৬. জাহানারা ইমাম ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে কোন কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন?
উত্তর : জাহানারা ইমাম ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’র আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন।
২৭. ‘একাত্তরে দিনগুলি’ কী জাতীয় রচনা?
উত্তর : ‘একাত্তরে দিনগুলি’ স্মৃতিকথামূলক রচনা।
২৮. হোটেল পূর্বাণীতে প্রেস কনফারেন্স ডেকেছিলেন কে?
উত্তর : হোটেল পূর্বাণীতে প্রেস কনফারেন্স ডেকেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
২৯. শহিদ রুমীর জন্মদিন কবে?
উত্তর : শহিদ রুমীর জন্মদিন ২৯ মার্চ।
৩০. মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক কবে শুরু হয়?
উত্তর : মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক ১৬ মার্চ, ১৯৭১ সালে শুরু হয়।

খ-বিভাগ: সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

১. ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ কবিতার প্রেক্ষাপট সংক্ষেপে লেখ।
২. ভূষণের পরিচয় দাও।
৩. আমিনা ও মদিনাকে মিলিটারিরা কীভাবে তুলে নেয়?
৪. ‘জলিল সাহেবের পিটিশন’ এর বিষয়বস্তু কী?
অথবা, শেষ পর্যন্ত জলিল সাহেবের পিটিসনের কী হয়েছিল? সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও ।
৫. ‘আমরা এসেছি।’ — ‘একাত্তরের যীশু’ গল্পে কারা, কেন এসেছে?
৬. মধুদা সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখ।
৭. হাসিম সেখের পরিচয় দাও।
৮. সুদীপ্ত শাহিনের চাকরির পরীক্ষার অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর।
৯. ‘আর কত রক্তের দরকার হবে’ কবিতায় তারা রক্ত দিয়ে ‘মা’ লিখেছে তাদের পরিচয় দাও।
১০. ‘আমার লোভ আমাকে কাপুরুষ হতে দেয় নি।’ – ব্যাখ্যা কর।
অথবা, ‘আমার লোভ আমাকে কাপুরুষ হতে দেয়নি’ – কেন কবি এ কথা বলেছেন?
১১. বআগ্নেয়াস্ত্র’ কবিতার মূল বিষয় আলোচনা কর।
১২. ‘বাঙালির জন্মতিথি’ কবিতার মূল চেতনা আলোচনা কর।
অথবা, ‘বাঙালির স্মৃতিথি’ কবিতার মূলসুর সংক্ষেপে তুলে ধর।
১৩. মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জাহানারা ইমামের ভূমিকা কী ছিল?
১৪. একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠনের কারণ আলোচনা কর।
১৫. ২৯ এপ্রিল মিরপুরে বিহারি কর্তৃক বাঙালি নিধনের ঘটনা তুলে ধর।
১৬. একাত্তরের দিনগুলি’ রচনার আলোকে ৭ মার্চের দিনলিপি তুলে ধর।
১৭. ‘একাত্তরের দিনগুলি’ রচনার আলোকে লেখক সংগ্রাম শিবিরের ভূমিকা তুলে ধর।
১৮. ২৭ মার্চ ১৯৭১ সুদীপ্তর দেখা রোকেয়া হলের দৃশ্য বর্ণনা কর।
১৯. ‘একাত্তরের দিনগুলি’ গ্রন্থ অবলম্বনে রুমীদের একটি গেরিলা অপারেশনের বর্ণনা দাও।
২০. ‘একাত্তরের দিনগুলি’ অবলম্বনে ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা শহরে পালিত হরতালের বর্ণনা দাও।
২১. শহিদ রুমীকে কত তারিখে এবং কীভাবে পাকবাহিনী ধরে নিয়ে যায় তার বর্ণনা দাও।
২২. ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ উপন্যাস অবলম্বনে মোসাদ্দেক সাহেবের পরিচয় দাও।
২৩. ‘শহীদ মিনার? আমরা বানাবো শহীদ মিনার’ – ব্যাখ্যা কর।
২৪. ‘মা গো, তোমার লজ্জা আমরা ঢাকব কি দিয়ে।’ – ব্যাখ্যা কর।
গ বিভাগ রচনামূলক
১. হাসান আজিজুল হকের ‘ভূষণের একদিন’ গল্প অবলম্বনে মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ আলোচনা কর।
২. ‘একজন মুক্তিযোদ্ধার জন্ম’ গল্পটির শিল্পরূপ লেখ।
৩. ‘একাত্তরের যীশু’ গল্পের মূল বক্তব্য বিশ্লেষণ কর।
৪. উপন্যাস হিসেবে আনোয়ার পাশার ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ এর সার্থকতা আলোচনা কর।
৫. ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ গ্রন্থটি একাধারে ঐতিহাসিক দলিল আর সার্থক সাহিত্য সৃষ্টি। – মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর।
৬. ‘মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা ব্যক্তিভেদে ও অবস্থানভেদে ভিন্ন হতে বাধ্য।’ – উক্তিটির আলোকে সুদীপ্ত শাহীনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর।৭. ‘সুদীপ্ত শাহিন বাংলাদেশ আর বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষা, সংকল্প-প্ৰত্যয় আর স্বপ্ন-কল্পনারই যেন প্রতীক।’ – আলোচনা কর।
৮. ‘বাঙালির দুঃখ-বেদনা আর আশা এষণার এ এমন এক শিল্পরূপ যা সব সময় সীমা ডিঙিয়ে এক দীর্ঘস্থায়ী অপরূপ সাহিত্যকর্ম হয়ে উঠেছে।’ — ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ উপন্যাস সম্পর্কে সমালোচকের এ মন্তব্যের যথার্থতা নিরূপণ কর।
৯. ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ উপন্যাসটি শুধু একাত্তরের বাংলাদেশের হাহাকারের চিত্র নয়, তার দীপ্ত যৌবনেরও এ এক প্রতিচ্ছবি— ব্যাখ্যা কর।১০. তোমার পাঠ্য কবিতা অবলম্বনে বকবিতায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ শিরোনামে একটি নিবন্ধ লেখ।
১১. ‘পাকবাহিনীর বীভৎস অত্যাচার, নির্যাতন, মানবতার অবমাননা এবং যুদ্ধ জীবনের ভয়াবহতার চিত্র মুক্তিযুদ্ধের কবিতায় প্রতিফলিত হয়েছে’ – তোমার পাঠ্য কবিতাসমূহের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
১২. ‘এখন সকল শব্দই’ কবিতার মূল বক্তব্য আলোচনা কর।
১৩. ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’ কবিতায় একদিকে যেমন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিবৃত হয়েছে অন্যদিকে কবিতার শরীরি ব্যঞ্জনা অসাধারণ দীপ্তিময়তা লাভ করেছে — উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
১৪. ‘একাত্তরের দিনগুলি’ স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ হলেও এতে ব্যক্তিগত বিষয়ের চেয়ে প্রাধান্য পেয়েছে তৎকালীন ঘটনা-প্রবাহ।’ আলোচনা কর।
অথবা, স্মৃতিচারণমূলক রচনা হলেও ‘একাত্তরের দিনগুলি’ গ্রন্থটি ঐতিহাসিক তাৎপর্য বহন করে। – আলোচনা কর।
১৫. ‘একাত্তরের দিনগুলি’ গ্রন্থ অবলম্বনে অবরুদ্ধ ঢাকা শহরের বর্ণনা দাও।
১৬. ‘একাত্তরের দিনগুলি’ উপন্যাস অবলম্বনে রুমী চরিত্র বিশ্লেষণ কর।
১৭. ‘একাত্তরের দিনগুলি’ গ্রন্থটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিশ্বস্ত দলিল — উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।
১৮. ‘একাত্তরের দিনগুলি’ রচনার শিল্পসাফল্য বিচার কর।১৯. ‘আর কত রক্তের দরকার হবে কবিতার মূল বক্তব্য বিশ্লেষণ কর।
২০. ‘বাঙালির জন্মতিথি’ কবিতার বিষয়ভাবনা বিশ্লেষণ কর।
২১. ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ কবিতা অবলম্বনে যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের অবক্ষয়ের চিত্র অঙ্কন কর।
২২. তোমার পাঠ্য গল্প অবলম্বনে মুক্তিযুদ্ধের চিত্র তুলে ধর।
অথবা, বাংলা ছোটগল্পের ধারায় মুক্তিযুদ্ধের যে প্রতিচ্ছবি ওঠে এসেছে তা তোমার পঠিত গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
২৩. বাংলাদেশের ছোটগল্পে মুক্তিযুদ্ধের প্রভাব সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ লেখ।

আশা করি আজকের পোস্টে অনার্স ৪র্থ বর্ষের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য সাজেশন ২০২৪ শেয়ার করেছি । এই সাজেশন অনুসরণ করে ভাল রেজাল্ট করতে পারবেন । নিয়মিত এমন সাজেশন পেতে আমাদের সাথে থাকুন ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top